TOP সোশ্যাল

পাত্রী চাই, ফেসবুকে পোর্স্ট করতেই ঘোর বিপাকে এই যুবক! ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা

Loading...

সুকুমারের ছড়ার অকর্মণ্য গঙ্গারামও বিয়ের জন্য পাত্রী পেয়েছিলেন। কিন্তু রনজিশ মঞ্জেরি নামে কেরলের এই যুবকের কিছুতেই পাত্রী জুটছিল না। শেষমেশ মরিয়া হয়ে সপ্তাহখানেক আগে ফেসবুকেই বিয়ের বিজ্ঞাপন দিয়ে বসেন তিনি।

বছর সাতেক ধরে পাত্রী খুঁজছিলেন যুবক। একাধিক বিয়ের খোঁজ দেওয়া ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। বলে রেখেছিলেন কাছে-দূরের আত্মীয়দেরও। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। সুকুমারের ছড়ার অকর্মণ্য গঙ্গারামও বিয়ের জন্য পাত্রী পেয়েছিলেন। কিন্তু রনজিশ মঞ্জেরি নামে কেরলের এই যুবকের আর প্রজাপতি নির্বন্ধ ঘটছিল না। অথচ বিয়ের বাজারে পাত্র হিসেবে নেহাত মন্দ নন তিনি। দেখতে শুনতেও সুদর্শন। কিন্তু ব্যাটে বলে হচ্ছিল না।
শেষমেশ মরিয়া হয়ে সপ্তাহখানেক আগে ফেসবুকেই বিয়ের বিজ্ঞাপন দিয়ে বসলেন তিনি। পোস্টে হ্য়াশট্যাগ ফেসবুকও লিখে দেন। তার পর যা ঘটল, তা তাঁর দূরতম কল্পনাতেও আসেনি। পোস্টটি করার পরে সেই যে বেজে উঠেছে তাঁর ফোন, আর থামার নামই নেই! গত সাত দিনে তিনি বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন ৪০০০টি। শুধু ভারত নয়, অস্ট্রেলিয়া, বাহরিন, সৌদি আরব কিংবা মার্কিন মুলুক থেকেও এসেছে বিয়ের প্রস্তাব।

1-19 পাত্রী চাই, ফেসবুকে পোর্স্ট করতেই ঘোর বিপাকে এই যুবক! ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা

এই সেই ভাইরাল হওয়া ফেসবুক পোস্ট। ছবি: রনজিশের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে।

কিন্তু কেন এমন হল? এতদিন যেখানে পাত্রীর খোঁজ মিলছিল না, সেখানে ফেসবুকে এমন ম্যাজিক ঘটে গেল কীভাবে! একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা যাচ্ছে, এতদিন রনজিশের যে বিয়ের সম্বন্ধগুলি আসছিল, তার বেশির ভাগই কুষ্ঠির চক্করে পড়ে কেটে যাচ্ছিল।

আবার অনেকের কাছে আপত্তির কারণ ছিল রনজিশের বাবার সামান্য সরকারি চাকরি। খুব বেশি অর্থ সম্পত্তি যে তাঁদের নেই, সেটার কারণে বেঁকে বসছিল বহু পরিবার। তা ছাড়া  কেরলে বিয়ের ক্ষেত্রে জাতপাতের  বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রনজিশ তাঁর পোস্টে পরিষ্কার জানিয়ে দেন তাঁর জাত নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই। সম্ভবত এই কারণটিই তাঁর পোস্টটিকে ভাইরাল করে তোলে।

ঠিক কী লিখেছিলেন রনজিশ? তিনি সোজাসাপ্টা ভাবে ওই পোস্টে জানিয়েছিলেন, ‘‘আমার বিয়ে এখনও ঠিক হয়নি এবং আমি এখনও বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজে চলেছি। আপনাদের কাছে যদি কোনও খোঁজ থাকে অনুগ্রহ করে জানাবেন। আমার বয়স ৩৪। আমি মেয়েটিকে দেখে পছন্দ করতে চাই। আমার কোনও দাবিদাওয়া নেই। পেশায় ফোটোগ্রাফার। হিন্দু। জাত নিয়ে কোনও বাধা নেই।’’সঙ্গে বাবা-মায়ের সঙ্গে রনজিশের সেলফি।

এতগুলি সম্বন্ধ পাওয়ায় এই মুহূর্তে বেশ দিশেহারা। এসে চলেছে আর বিয়ের প্রস্তাব। তবে রনজিশের আশা, সমস্ত দ্বিধাদ্বন্দ্বের শেষে ফেসবুকের এই অভিনব স্বয়ম্বরে সঠিক পাত্রীটিকেই খুঁজে পাবেন তিনি।

সবথেকে জনপ্রিয় খবরগুলো:

Loading...

Comments

comments