TOP নিউজ

পিসির বাড়িতে উদ্ধার হল নবম শ্রেণির ছাত্রীর নিথর দেহ

Loading...

বৃহস্পতিবার বেলুড়ে কাকার বাড়ি থেকে বিহারের এক তরুণীর দেহ উদ্ধার ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছে৷ পর দিনই কলকাতায় পিসির বাড়ি থেকে এক কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারেও রহস্য ঘনাল৷ শুক্রবার হরিদেবপুর থানা এলাকার সোদপুর থেকে উদ্ধার হয় নীলাঞ্জনা দাস নামে নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর দেহ৷ খুন না আত্মহত্যা , খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ চারু মার্কেটের যোগেশচন্দ্র ল কলেজ এলাকার নীলাঞ্জনা হরিদেবপুরের গঙ্গাপুরী স্কুলের ছাত্রী৷ বাবা -মায়ের বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে পিসিই তার দেখাশোনা করতেন৷ বছর দেড়েক আগে বিয়ে হয়ে যায় পিসি দেবযানী দাসের৷ তার পরও হরিদেবপুরে পিসির শ্বশুরবাড়িতেই থাকতে শুরু করে সে৷ পুলিশ জানিয়েছে , এ দিন সকাল ১১টা নাগাদ ওই বাড়ি থেকেই নীলাঞ্জনার দেহ উদ্ধার হয়৷ বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিত্সকেরা মৃত ঘোষণা করেন৷ জানা গিয়েছে , পিসি -পিসেমশাই সকালে কাজে বেরিয়ে গিয়েছিলেন৷ সে সময় বাড়িতে একাই ছিল ওই ছাত্রী৷ প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে , সকালে কয়েক জন বন্ধু নীলাঞ্জনাকে ডাকতে আসে৷ দরজা খোলা থাকলেও সাড়াশব্দ না পেয়ে সন্দেহ হওয়ায় তারাই বাড়ির লোকজনকে খবর দেয়৷ খবর পেয়ে পিসি এসে দেখেন , ঘরের ভিতর পাখায় ওড়নার ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে ভাইঝির দেহ৷

আত্মহত্যা না খুন , তা নিয়ে রহস্য ঘনিয়েছে৷ আজ , শনিবার ময়নাতদন্তের পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে আশা পুলিশের৷ তবে ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ পিসি দেবযানীর দাবি , নীলাঞ্জনা বেশির ভাগ সময় তাঁর কাছে থাকায় তাকে মেয়ের মতোই ভালোবাসতেন৷ বিয়ের পরেও তাই তিনি নীলাঞ্জনাকে নিজের কাছেই রেখেছিলেন৷ নীলাঞ্জনাও তাঁর কাছে থাকতে পছন্দ করত বলে জানান দেবযানী৷ তিনি জানান , শুক্রবার কাজে বেরোনোর সময় নীলাঞ্জনার মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা নজরে আসেনি৷ একই সঙ্গে অবশ্য তাঁর দাবি , বৃহস্পতিবার বিকেলে যখন তিনি কাজ থেকে বাড়ি ফেরেন , তখন দেখেন , বাড়ির বাইরে এক জোড়া চটি রয়েছে এবং বাড়ির পিছন দিক দিয়ে একটি ছেলে বেরিয়ে যাচ্ছে৷ তিনি জানান , নীলাঞ্জনার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাঁকে সে জানায় — ওই ছেলেটি তাকে প্রেম -প্রস্তাব করতে এসেছিল৷ যাতে এই বয়সে কোনও সম্পর্কে না জড়িয়ে পড়ে , সে জন্য তিনি নীলাঞ্জনাকে বোঝান বলে দাবি দেবযানীর৷ ওই ঘটনায় বকাবকির জেরে নীলাঞ্জনা আত্মহত্যা করেছে কিনা , খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ ছাত্রীর মায়ের অভিযোগ , ইদানীং পিসির বাড়িতে আর থাকতে চাইছিল না তাঁর মেয়ে৷ সে কথা নীলাঞ্জনা তাকে জানিয়েছিল বলেও দাবি মায়ের৷ পিসিকে কাঠগড়ায় তুলে মায়ের অভিযোগ , মেয়ের এই পরিণতির জন্য পিসিই দায়ী৷ যদিও এখনও কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি৷

সুত্র ঃ এইসময়

আরও পড়ুন

অভিনব উদ্যোগ, বাবার শ্রাদ্ধে না খাইয়ে অর্থসাহায্য কিডনি রোগীকে

জেনে নিন নতুন বছরে কেমন হবে আপনার যৌনজীবন?

কলকাতায় ঘুড়ির মাঞ্জা সুতোয় গলা কাটল বালিকার৷

নতুন বছর থেকে সারারাত সরকারি বাস চলবে মহানগরে

Loading...

Comments

comments