TOP নিউজ বিনোদন

টলিউড সুপারস্টার দেব-এর নিউ ইয়ার এর মেনু কার্ডে আর কি আছে জেনেনিন

Loading...

সোনার শহর এলডোরাডোর খোঁজে বেড়িয়ে অনেক দিন বোধহয় পেটপুরে খাওয়া দাওয়া হয়নি। তাই রবীন্দ্র সরোবরের কাছে শরৎ ব্যানার্জি রোডে টলি টেলসের দরজা ঠেলে ভিতরে যেতেই অবাক দৃশ্য। টেবিল জোড়া সারি সারি খাবারের সামনে “শঙ্কর” দেব বসে তারিয়ে তারিয়ে খাচ্ছেন। একটা সুশি মুখে পুরে “বাঃ” বলে অন্য প্লেট থেকে ক্রিমি মাশরুম টার্ট। পরক্ষণেই টোম্যাটো প্যাপারিকা সসে চুবিয়ে নানান সব্জি সহযোগে বানানো ফরাসি ডিশ ভেজিটেবল রুলাদ। নিজের রেস্তোরাঁয় বসে খেতে খেতেই নববর্ষের স্পেশ্যাল মেনু নিয়ে গল্প করলেন দেব দীপক অধিকারী।

রুপোলি পর্দায় দেখা গেলে নাকি খাওয়ায় অনেক বিধি নিষেধ! পিনাট সস সহযোগে সুশি খেতে খেতে দেব বললেন “আমি খেয়েই ফিট থাকার চেষ্টা করি। ডিপ ফ্রাই অ্যাভয়েড করি, কিন্তু মাছ, চিকেন, মাশরুম, নানান সব্জি সবই খাই। ওজন বাড়ার ভয়ে না খেয়ে থাকার পক্ষপাতী নই। তবে পছন্দের খাবার বিরিয়ানি খেতে গেলে দশবার চিন্তা করি। ফিট থাকতে নিয়মিত এক্সারসাইজ আর জিম তো করতেই হয়। যে ক্যালোরি নিচ্ছি তা বার্ন করে ফেললে আর ঝামেলা থাকে না,’’ খাদ্য রসিক বলেই কি রেস্তরাঁর পরিকল্পনা? আবার একমুখ খাবার পুরে বললেন, মুম্বই ছেড়ে কলকাতায় স্থায়ী বসবাস শুরু করার পর বাবা গুরুপদ অধিকারী নিজের কর্মজগত ছেড়ে এসে হাঁপিয়ে উঠছিলেন। ওঁর পেশা ও নেশা ছিল নিত্যনতুন রান্না করা আর মানুষজনকে খাওয়ানো। পছন্দের কাজ করতে না পেরে বাবা ক্রমশ মনমরা হয়ে যাচ্ছিলেন। তখনই রেস্তরাঁ খোলার ভাবনা মাথায় এল। বাবাকে সে কথা জানাতেই চোখে মুখে হাজার ওয়াটের আলো জ্বলে উঠেছিল। আর নায়ক নিজেও খেতে এবং খাওয়াতে খুব ভালবাসেন। তাই আর দেরি করেননি। কয়েক মাসের মধ্যেই টলি টেলসের যাত্রা শুরু। দেখতে দেখতে তিন বছর পেরিয়ে গেল টলি টেলসের।

রুপোলি পর্দার এই তারকার পছন্দের খাবার অবশ্য বিরিয়ানি আর মায়ের হাতের ডাল, আলুপোস্ত। তবে ডিপ ফ্রাই ছাড়া কোনও খাবারেই বিশেষ অরুচি নেই। দেবের কথায় “বাবা হলেন রান্নার যাদুকর”। তাঁরই উদ্ভাবিত কিছু মেনু দিয়ে জমে উঠবে বর্ষ বরণের খাওয়াদাওয়া। কথা প্রসঙ্গে আরও একটা কথা জানাতে ভোলেননি দেব, রেস্তরাঁ করেছেন কিছুটা বাবাকে ব্যস্ত রাখার তাগিদে, লাভের উদ্দেশ্যে নয়। আর এই কারণেই খাবারের কোয়ালিটির সঙ্গে কোনও রকম কম্প্রোমাইজ করেন না কখনও। সব্জিই হোক বা মাংস, দু’দিনের বেশি ব্যবহার করেন না। অপচয় কমাতে মাপজোখ করে বাজারহাট করা হয় ঠিকই, কিন্তু সব সময় তো হিসেব করে বাজার করা যায় না। তাই কিছু অব্যবহৃত জিনিস বাতিল করা ছাড়া উপায় থাকে না। খাদ্যরসিকদের জন্য একটা নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকেই এই সিদ্ধান্ত।

সূত্র -আনন্দবাজার পত্রিকা

আরও পড়ুন

সাবধান! ভুল করেও এই চার মহিলাকে কখনো অসম্মান করবেন না

সাবধান !অনলাইনে শপিং-এ স্মার্টফোনের পরিবর্তে আসতে পারে পাথর

এই রূপসী ন্যুড মডেলকে জঙ্গি ‘তৈরি’ করছিল ISIS!

জানেন কি ভেলিগুড়ে রয়েছে কিছু অশেষ গুণ?

Loading...

Comments

comments