নিউজ লাইফস্টাইল সোশ্যাল

সাবধান! এই রাশির জাতক-জাতিকাদের কিন্তু ঠকানোর প্রবণতা খুব বেশি?

Loading...

ভালবাসা! এই ম্যাজিকটি ঘটার অপেক্ষায় সবাই আমরা অপেক্ষা করে থাকি। ঠিক মানুষটা জীবনের দরজায় যখন টোকা মারে, তখন চারিপাশটা বড়ই বদলে যায়। রোজকার স্ট্রেস এবং ক্লান্তির মারে জর্জরিত ঘেয়ো জীবনটা যেন প্রাণ ফিরে পায়। কিন্তু যদি জীবনসঙ্গী নির্বাচনে একটুও ভুল হয়ে যায়, তাহলেই কিন্তু কেলো! তাই তো সবারই এই প্রবন্ধটি পড়া মাস্ট!

এই প্রবন্ধে এমন কী লেখা আছে, যা না পড়লে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে? দেখুন মশাই বিপদ আসার আগে যদি নিজের গড়কে সামলে নেওয়া যায়, তাহলে মারাত্মক বিপদের হাত থেকে যে রক্ষা পাওয়া যায়, সে কথা নিশ্চয় মেনে নেবেন। সেই কারণেই এই প্রবন্ধটি পড়ে ফেলতেই হবে। আসলে এই লেখায় এমন কিছু রাশির সম্পর্কে আলোচনা করা হল, যারা একেবারেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। তাই এই রাশিগুলির জাতক-জাতীকাদের সঙ্গে যদি ইতিমধ্য়েই প্রেমের বন্ধনে পরে গিয়ে থাকেন, তাহলে সাবধান! কে বলতে পারে, কখন পিঠে ছুরি বসে যায়!

প্রাচীন নথি অনুসারে যে যে রাশির অধিকারিরা বিশ্বাস ভঙ্গের জন্য প্রায়শই দোষী সাব্যস্ত হয়ে থাকেন, তারা হলেন…

1_eilgul সাবধান! এই রাশির জাতক-জাতিকাদের কিন্তু ঠকানোর প্রবণতা খুব বেশি?

১. মিথুনরাশি (জেমিনি):

নানা তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এই রাশির জাতক-জাতিকারা খুব অস্থির মনের হন। কোনও একটা কিছুতে নিজেকে বেঁধে রাখা অনেক সময়ই এদের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। সহজ কথায় বললে, এদের আজ একটা জিনিস পছন্দ, তো কাল আরেকটা। শুধু তাই নয়, এরা শেষ দিন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে উঠতে পারেন না কোন মানুষটা তাদের জন্য উপযুক্ত। এই চঞ্চলতার কারণেই যে কোনও সম্পর্ক থেকে হঠাৎ করে বেরিয়ে আসতে এদের একেবারেই সময় লাগে না।

2_xpibsa সাবধান! এই রাশির জাতক-জাতিকাদের কিন্তু ঠকানোর প্রবণতা খুব বেশি?

২. মীনরাশি (পিসেস):

বড়ই আজব চরিত্রের হয় এরা। এই রাশির জাতক-জাতিকারা একদিকে যেমন খুব ইমোশনাল হন, তেমনি বেজায় বাস্তবসম্মতও হয়ে থাকেন। তাই তো মনের কথা শুনবেন না, মস্তিষ্কের, তা অনেক সময় বিবেচনা করে উঠতে না পেরে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফলেন। এমন দোটানায় পরা মানুষেরা যদি কোনও সম্পর্কে আবদ্ধ হয়ে পরেন, তাহলে তাদের সেই সম্পর্কে আটকে রাখতে বিপরীত লিঙ্গকে যে বেজায় কষ্ট পোহাতে হয়, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই কিন্তু! তবে একটা বিষয় মানতেই হবে যে মীনরাশির মানুষেরা একবার যদি কাউকে প্রাণ থেকে ভালবেসে ফেলেন, তাহলে বাস্তবতাকে ভুলে সেই মানুষটির সঙ্গে নিতে এরা একবারও ভাবেন না।

 

3_decmc8 সাবধান! এই রাশির জাতক-জাতিকাদের কিন্তু ঠকানোর প্রবণতা খুব বেশি?

৩. সিংহরাশি (লিও):

“ইগো” হল এদের প্রধান প্রতিপক্ষ। কেন এমন কথা বলছি তাই ভাবছেন তো? আসলে এই তিন অক্ষরের শব্দটি হল এই পৃথিবীর সবথেকে ভয়ঙ্কর শব্দ। যে মানুষ ইগোর শিকার, তারা নিজেদের সর্বত্তম ভাবতে শুরু করেন। সব কিছুর থেকে তারা উপরে, তারাই সেরা, এমন ভবনা মনে পুষে এমন কিছু সিদ্ধান্ত এরা নিয়ে ফেলেন, যা ভালবাসার মানুষকে এতটাই কষ্ট দেয় যে সুন্দর সম্পর্ক শেষ হয়ে যেতে সময়ও লাগে না। তাই তো আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা যদি সিংহরাশির হন, আর আপনি যদি তাকে অফুরন্ত ভালবেসে থাকেন, তাহলে সম্পর্ক বাঁচাতে ছোট-বড় ঝগড়ার পর আপনাকেই কিন্তু সরি বলতে হবে। কারণ ইগোর চক্করে এরা প্রায়শই ভেবে থাকেন, “আমি কেন ফোন করবো, ও কি একটা ফোন করে সরি বলতে পারে না!” এমন ভবনার কারণে সম্পর্কে কখন যে পলি পরে যায়, তা কেউই খেয়াল করে উঠতে পারেন না। তাই তে সিংহরাশির মানুষরা যদি সুখী দাম্পত্য জীবন পেতে চান, তাহলে ইগো নামক আপনার বন্ধুটির সঙ্গ ছাড়তে ভুলবেন না যেন!

4_etxtpl সাবধান! এই রাশির জাতক-জাতিকাদের কিন্তু ঠকানোর প্রবণতা খুব বেশি?

৪. ধনুরাশি (স্যাজিটেরিয়াস):

চঞ্চল এবং কেয়ার ফ্রি মানসিকতার হওয়ার কারণে বেশিদিন কোনও সম্পর্কে আটকে থাকতে এদের মন চায় না। সহজ কথায় খুব সহজেই হাঁপিয়ে ওঠেন এরা। ফলে কিছু দিন যেতে না যেতেই সেই সম্পর্কে থেকে বেরিয়ে আসতে মন চায় এমন মানুষদের। তাই তো ধনুরাশির জাকত-জাতিকাদের ভালাবাসা, বাস্তবিকই একটা চ্যালেঞ্জ। আর এই চ্যালেঞ্জে হারার সম্ভাবনা যে বেশি, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই!

5_i1lbs3 সাবধান! এই রাশির জাতক-জাতিকাদের কিন্তু ঠকানোর প্রবণতা খুব বেশি?

৫. বৃশ্চিকরাশি (স্কর্পিও):

এরা একেবারেই বিশ্বাসঘাতক হন না। তবে এই রাশির মানুষদের চরিত্রের একটা বড় দিক হল এরা বিশ্বাসঘাতকতাকে একেবারে মেনে নিতে পারেন না। তাই কেউ যদি এদের সঙ্গে সামান্যতম বিশ্বাসঘাতকতা করেন, তাহলে তাদের সঙ্গ ছাড়তে এমন মানুষদের কয়েক সেকেন্ডও সময় লাগে না। তাই বৃশ্চিকরাশির জাতকদের যদি আগলে রাখতে হয়, তাহলে তাদের ধোকা দেবেন না কোনও সময়। তাহলেই দেখবেন সম্পর্কে যতই চড়াই-উতড়াই আসুক না কেন, ভালবাসার গাড়ি জীবনের পথে কখনও ব্রেকডাউন হবে না।

সূত্র

Loading...

Comments

comments