TOP সোশ্যাল

আগেকার দিনে ধর্ষণকারী দের কি ধরনের সাজা দেওয়া হতো জানেন ?? বর্তমানে কেউ তাহলে এরকম জঘন্য কাজ করতো না … বিস্তারিত জানলে অবাক হবেন !!!

Loading...

খুনের পাশাপাশি প্রত্যেক সমাজে ধর্ষণকে সবচেয়ে আপত্তিকর অপরাধ বলে গণ্য করা হয়। ধর্ষণকারীরা প্রায়ই শিকারের জন্য যন্ত্রণাদায়ক মেমরি ছেড়ে দেয় কারণ তারা লজ্জা দিয়ে জনসাধারণের মুখোমুখি হয় এবং এর ফলে তাদের মানসিকভাবে আঘাত লাগে। যখন একজন মেয়ে ধর্ষিত হয়, তখন তাদের সমগ্র জগতের নিচে পড়ে যেতে হয় এবং প্রায়ই তাদের নিজেদেরকে আলাদা করার জন্য চাপ দেয় ।

Breaking-Wheel1_jhrhfw আগেকার দিনে ধর্ষণকারী দের কি ধরনের সাজা দেওয়া হতো জানেন ?? বর্তমানে কেউ তাহলে এরকম জঘন্য কাজ করতো না … বিস্তারিত জানলে অবাক হবেন !!!

একটি বেল্টে দুই প্রান্তে কাঁটা বিশিষ্ট এ জিনিসটি আটকে তা অপরাধীর গলায় পরিয়ে দেয়া হতো। কাঁটার একদিক থাকতো তার চিবুকের নিচে, অপরদিক স্টার্নামে। এরপর দোষী ব্যক্তিকে ঝুলিয়ে দেয়া হতো। গলায় দ্বিমুখী কাঁটা আটকে থাকায় বেচারা সারাক্ষণ গলা সোজা করে রাখতে বাধ্য হতো। ঘুম আসলেই খবর ছিলো!

১। কাঁটা:-

একটি বেল্টে দুই প্রান্তে কাঁটা বিশিষ্ট এ জিনিসটি আটকে তা অপরাধীর গলায় পরিয়ে দেয়া হতো। কাঁটার একদিক থাকতো তার চিবুকের নিচে, অপরদিক স্টার্নামে।

Neck-Torture-281x300-1_wppljl আগেকার দিনে ধর্ষণকারী দের কি ধরনের সাজা দেওয়া হতো জানেন ?? বর্তমানে কেউ তাহলে এরকম জঘন্য কাজ করতো না … বিস্তারিত জানলে অবাক হবেন !!!

এরপর দোষী ব্যক্তিকে ঝুলিয়ে দেয়া হতো। গলায় দ্বিমুখী কাঁটা আটকে থাকায় বেচারা সারাক্ষণ গলা সোজা করে রাখতে বাধ্য হতো। ঘুম আসলেই খবর ছিলো!

২। শূলে চড়ানো:- 

এক্ষেত্রে দোষী ব্যক্তিকে তীক্ষ্ম ফলা বিশিষ্ট মোটা একটি দন্ডের উপর জোর করে বসিয়ে দেয়া হতো। এরপর ধীরে ধীরে দন্ডটি উপরের দিকে উঠাতে থাকলে অপরাধীর নিজের ওজনেই আস্তে আস্তে দন্ডটি তার শরীর ভেদ করে ঢুকতে থাকতো ছবির মতো করে।

main-qimg-b2b510d49a09df6e75d23a644c3a000a-c_hwfidx আগেকার দিনে ধর্ষণকারী দের কি ধরনের সাজা দেওয়া হতো জানেন ?? বর্তমানে কেউ তাহলে এরকম জঘন্য কাজ করতো না … বিস্তারিত জানলে অবাক হবেন !!!

এভাবে একজন ব্যক্তির মারা যেতে ৩ দিন পর্যন্ত সময় লাগতো। এ ধরণের শাস্তি প্রদানের ব্যাপারে বেশ কুখ্যাত ছিলেন ভ্লাদ দ্য ইম্‌পেলার। কথিত আছে, একবার তিনি খেতে খেতে ২০,০০০ মানুষকে শূলে চড়িয়ে তা উপভোগ করেছিলেন।

। পিতলের ষাঁড়:-

বন্দী নির্যাতনের জন্য এ ষাঁড়টি ব্যবহৃত হতো প্রাচীন গ্রীসে। একটি দরজা দিয়ে অপরাধীকে ঢুকিয়ে তারপর সেটি বন্ধ করে দেয়া হতো। এরপর নিচে থেকে জ্বালিয়ে দেয়া হতো আগুন।

Pierre_Woeiriot_Phalaris-702x410_xkyuem আগেকার দিনে ধর্ষণকারী দের কি ধরনের সাজা দেওয়া হতো জানেন ?? বর্তমানে কেউ তাহলে এরকম জঘন্য কাজ করতো না … বিস্তারিত জানলে অবাক হবেন !!!

উত্তাপে পিতলের তৈরি এ ষাঁড়টি গনগনে লাল বর্ণ ধারণ করার আগপর্যন্ত আগুন জ্বলতেই থাকতো। তারপর আগুন নেভানো হতো। ততক্ষণে ভেতরে থাকা মানুষটি যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে পুড়ে মারা যেতো। আর ভেতরে আটকে পড়া তার সেই আর্তনাদ অনেকটা ষাঁড়ের গর্জনের মতোই শোনা যেতো।

৪। করাত:-

করাত দিয়ে কাউকে মারতে গেলে তাকে ছবির মতো উল্টো করে ঝোলানো হতো। এরপর শরীরের মাঝ বরাবর তার দেহটি কাটা হতো।

800px-Hinrichtung_lv3stv আগেকার দিনে ধর্ষণকারী দের কি ধরনের সাজা দেওয়া হতো জানেন ?? বর্তমানে কেউ তাহলে এরকম জঘন্য কাজ করতো না … বিস্তারিত জানলে অবাক হবেন !!!

যন্ত্রণার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে অধিকাংশ সময়ই তার পেট পর্যন্ত কাটা হতো। ফলে নিদারুণ যন্ত্রণার স্বাদ বেশ কিছুক্ষণ ভোগ করে তবেই মৃত্যু ঘটতো অপরাধীর।

। ইঁদুরের হাতে মৃত্যু:-

আগেকার দিনের নৃশংসতার আরেক ভয়াবহ নমুনা ছিলো এ নির্যাতন। এ পদ্ধতিতে বন্দী ব্যক্তির পেটের উপর একটি বাক্স বেঁধে এর ভেতর কিছু ইঁদুর ছেড়ে দেয়া হতো।

Crucifiction-and-Cages_xt0sd0 আগেকার দিনে ধর্ষণকারী দের কি ধরনের সাজা দেওয়া হতো জানেন ?? বর্তমানে কেউ তাহলে এরকম জঘন্য কাজ করতো না … বিস্তারিত জানলে অবাক হবেন !!!

বাক্সটির সবদিক বন্ধ থাকলেও শুধু বন্দীর শরীরের সংস্পর্শে থাকা অংশ খোলা থাকতো। এরপর বাক্সের আশেপাশে থেকে প্রচন্ড উত্তাপ দেয়া হতো। তখন পালানোর আর কোনো জায়গা না পেয়ে ইঁদুরগুলো বন্দীর শরীরের ভেতরেই মাংস খেয়ে খেয়ে ঢুকতো!

এইভাবে প্রাচীনকালে কেউ রেপ করলে তাকে এরকম নৃশংস ভাবে শাস্তি প্রদান করা হত !!

ভালো লাগলে শেয়ার করুন:
Loading...

Comments

comments