TOP নিউজ সোশ্যাল

ফেসবুকে এগুলো পোস্ট করছেন নাকি আপনি? সর্বনাশ!

Loading...

নতুন গাড়ি বা বাড়ি কিনে ফেসবুকে সেই ছবি আপলোড করেছেন? অথবা পাঁচতারা হোটেলে ডিনার করার ছবি বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন? অনেক লাইক, ভাল ভাল কমেন্টও পেয়েছেন। নিশ্চয়ই তাতে মুখের হাসি চওড়াও হয়েছে। সাবধান। বিপদে পড়তে বেশি সময় লাগবে না। মনে রাখবেন, আপনি কিন্তু সবসময় নজরে রয়েছেন।

শুধু ফেসবুক নয়। ইনস্টাগ্রাম-সহ একাধিক সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর রাখছে আয়কর দপ্তর। ফেসবুকে কোনও ব্যক্তির প্রোফাইল দেখে দপ্তর আন্দাজ করছে, তিনি কীরকম খরচ করছেন, কেনাকাটায় কত টাকা ব্যয় করছেন ইত্যাদি ইত্যাদি। সরকারের বক্তব্য, এই নজরদারির মধ্যে দিয়েই কোনও ব্যক্তির আয় ও তাঁর খরচের মধ্যে তফাত চোখে পড়তে পারে। আর সেই সূত্র ধরেই বেরিয়ে আসবে তিনি আয়করে ফাঁকি দিচ্ছেন কিনা।

আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে দেশবাসীকে বার্ষিক আয়কর জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সরকারের চোখ বাঁচিয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার রীতি এ দেশে এখনও পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। আর তাই যেভাবে সম্ভব সাধারণ মানুষের উপর নজর রাখার চেষ্টা করছে প্রশাসন। সূত্রের খবর, সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারির এই প্রক্রিয়ার নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট ইনসাইট।’ রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রজেক্ট ইনসাইট-এর মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক বায়োমেট্রিক পরিচয়ের ডেটাবেস পাওয়া সম্ভব হবে। যার ফলে আরও বেশি সংখ্যক ভারতীয়কে করের আওতায় আনা যাবে।

অর্থাৎ এবার থেকে দামি জিনিসপত্রের ছবি, বিদেশ সফরের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করার আগে দু’বার ভেবে নিন। কারণ আপনি কর ফাঁকি দিলেও আয়কর দপ্তর নজরে ফাঁকি দিচ্ছে না। ফেসবুকের সূত্র ধরেই আপনার বাড়িতে হানা দিতে পারেন আধিকারিকরা। কোথা থেকে গাড়ি, দামি গয়না কিনছেন, তার জবাব দিতে হবে আপনাকে। তবে কর ফাঁকি না দিলে নিশ্চিন্ত থেকেই ছবি পোস্ট করতে পারেন। গত ফেব্রুয়ারিতে বাজেট পেশ করার সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি জানিয়েছিলেন, আম জনতাকে আয়করের আওতায় আনতে প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো হবে। এবার সেই পদক্ষেপই বাস্তবায়িত হচ্ছে।

সবচেয়ে জনপ্রিয় খবরগুলো:

Loading...

Comments

comments