TOP নিউজ

জেলে অন্যান্য কয়েদিদের হামলার শিকার হতে পারেন ধর্ষক বাবা!

Loading...

জেলে হামলা হতে পারে গুরমীত রাম রহিমের ওপর। তাঁর সহবন্দিরাই আক্রমণ করতে পারে তাঁকে। এই আশঙ্কা করেই আপাতত পৃথক সেলে রাখা হয়েছে তাঁকে। এ কথা জানিয়েছে তাঁর সঙ্গে একই সেলে থাকা অন্য এক বন্দি। তবে রাম রহিমকে কোনও আলাদা খাতির করা হচ্ছে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রাম রহিমকে ধর্ষণের দায়ে আদালত দোষী সাব্যস্ত করার পর যে ভাবে পঞ্চকুলায় তাণ্ডব চালিয়েছিল বাবার ভক্তরা, তাতে তাঁর ওপরে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ রোহতকের সোনারজা জেলের অন্য কয়েদিরা। রাম রহিমের ভক্তদের ছড়ানো হিংসায় প্রাণ যায় ৩৮ জনের। ক্ষতি হয়েছে প্রায় কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির। এই কারণে রাম রহিমের ক্ষেপে থাকা অন্য কয়েদিরা তাঁর ওপর হামলা করতে পারে। সেই ভয় থেকে তাঁকে অন্য সেলে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রাম রহিমের সহ-বন্দি স্বদেশ কিরাদ।

গত শুক্রবার জামিনে ছাড়া পেয়েছে স্বদেশ। তার আগে রাম রহিমের সঙ্গে এক সেলে পাঁচদিন কাটিয়েছে সে। স্বদেশ জানিয়েছে, জেলে ঢোকার পর থেকেই রাম রহিম ক্রমাগত বিড়বিড় কর বলে গিয়েছেন যে তাঁর এরকম শাস্তি পাওয়ার কথা ছিল না। (‘হে ঈশ্বর, আমি এমন কী করেছি?’) এমনকি প্রায় কিছুই কাননি তিনি। শুধু চা, বিস্কুট আর দুধ খেয়েছেন। যে কদিন রাম রহিমের সঙ্গে একসঙ্গে কাটিয়েছেন স্বদেশ, তখন তাঁকে রাতে ঘুমোতেও দেখেনি সে।

নিরাপত্তার কারণ যেহেতু জেল চত্বরেই সাজা ঘোষণা হয়েছিল রাম রহিমের, তাই সেই ঘটনাও প্রত্যক্ষ করেছে স্বদেশ কিরাদ। তার কথায়, ২০ বছরের কারাদণ্ড ঘোষণার পরেই নাকি রাম রহিম হাঁটু গেড়ে বসে পড়েন। জানান যে তিনি আর বেঁচে থাকতে চান না। তাঁকে ফাঁসি দেওয়ার জন্যই বিচারকের কাছ আবেদন জানান এমএসজি।

আরও পড়ুন

ফাঁস ভয়ানক তথ্য! ‘লাভ জেহাদে’র নিশানায় হিন্দু যুবতীরা

ব্লু হোয়েলের ১৬তম পর্বে পৌঁছেও বাঁচল রাজ্যের মেয়ে, জানুন তাঁর সেই অভিজ্ঞতা

Loading...

Comments

comments