TOP বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

এই নতুন এনজিএস টেকনোলজি বংশানুক্রমিক ক্যান্সার আটকাবে এমনটাই দাবি গবেষকেদের

Loading...

পশ্চিমবঙ্গে পারিবারিক ক্যান্সারের ধারা আটকানো সম্ভব হবে। অনেক আগেই ধরে ফেলা যাবে আপনি বা আপনার পরের প্রজন্ম ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে পড়ছে কি না। মাত্র একটি টেস্ট তাতেই পরিস্কার হয়ে যাবে সবকিছু। পরিবারে ক্যান্সারের ধারা থাকলে জিনের মাধ্যমে তা পরের প্রজন্মেও ধাবিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।  কিন্তু আগে থেকে সতর্ক হয়ে গেলে সহজেই ঠেকানো যাবে বংশানুক্রমিকভাবে ধাবিত হওয়া এই মারণ রোগ।

এনজিএস টেস্ট, এর মাধ্যমেই আটকানো সম্ভব বংশানুক্রমিক ক্যান্সারের ধারা। বিদেশে অনেক দিন আগে থেকেই এই টেস্ট নিয়ে কাজ চলছে কিন্তু ভারতে একমাত্র হায়দরাবাদ ছাড়া কোথাও এই টেস্ট হয় না। সুরক্ষা ডায়গনেস্টিকের হাত ধরে সেই টেস্ট এবার হবে পশ্চিমবঙ্গে। যার ফলে রাজ্যে পারিবারিক ক্যন্সারের ধারা অনেকটা আটকানো সম্ভব হবে। ইতিহাস বলছে চার হাজার বছর আগে এক মিশরীয় মহিলা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপর থেকে বিভিন্ন ভাবে মানব শরীরে বাসা বেঁধেছে এই রোগ। কিন্তু সঠিক প্রতিকার কি তা সহজে পাওয়া যায়নি। এখনও ক্যন্সার আক্রান্ত হলেই বেশিরভাগ মানুসের নিয়তি ঠিক হয়ে যায়।

ক্যন্সার আক্রান্ত রোগী যে বাঁচবেন না তা একপ্রকার ধরেই নেয় রোগীর পরিবার। বংশানুক্রমিক এই রোগ ধারা থাকলে তা কতটা মারাত্মক তা আর বলার প্রয়োজন পড়ে না। এক জিন থেকে পরের জিনে সন্তর্পণে ছরিয়ে পড়ে রোগ। কিন্তু তাকে আটকাতে পারা যায়নি। এবার সেই পরিস্থিরির পরিবর্তন হবে এনজিএস টেস্টের মাধ্যমে। এই একটি টেস্ট বলে দেবে আপনার শরীরের মধ্যে ওই রোগ বাসা বাঁধা শুরু করেছে কি না। আগে থেকে ব্যবস্থা নিলে সেরে ওঠা সম্ভব বলেই দাবি করছেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি পরের প্রজন্মকেও এই রোগের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

এবার প্রশ্ন হল কি এই এনজিএস টেস্ট? এই টেস্ট আসলে রক্তে জিন মিউট্যান্টকে ধরে ফেলে। পরিবারে যদি ক্যন্সারের ধারা থাকে তাহলে ত্রিশ বছরের মধ্যেই সেটি প্রকাশ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই সময়ের মধ্যে প্রথমেই রক্তের এনজিএস টেস্ট করিয়ে যদি ধরে ফেলা যায় ক্যান্সার তাহলে সঠিক চিকিৎসা করালে ওই রোগীর রোগমুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি রক্ষা পাবে পরবর্তী প্রজন্মও। কিভাবে কাজ করে এই এনজিএস টেস্ট ? শরীর থেকে রক্ত নেওয়ার পড়ে রক্ত থেকে ডিএনএ ও আরএনএ-কে আলাদা করে দেয় এই টেস্ট। এরপর কম্পিউটারের মধ্যে ফেলে লক্ষ্য রাখা হয় তাদের ভাঙনের দিকে। এরপর ২ সপ্তাহের মধ্যেই পুরো বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যায়। ২৫ হাজার টাকায় করানো যাবে এই টেস্ট। তবে তা আরও কমানোর চিন্তাভাবনাও করছে রাজ্যে এনজিএস ল্যাব প্রস্তুতকারক সংস্থা সুরক্ষা।

ক্যান্সারের পাশাপাশি স্নায়ুর রোগও ডিটেক্ট করতে সক্ষম এই এনজিএস টেস্ট। হার্টের অসুখও আগে থেকেই বলে দিতে পারে এই টেস্ট। সন্তানসম্ভবা মহিলার কোনও প্রসবের আগে বা পড়ে কোনও কিছুর সমস্যা রয়েছে কি না তাও বলে দেয় এনজিএস। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই ওই রক্তের ডিএনএ ও আরএনএ-কে ভেঙে তারপর কম্পিউটারে ফেলে রোগ পূর্বনির্ধারণ করা হয়।

সূত্র ঃ কলকাতা ২৪*৭

আরও পড়ুন

সারম্বরে খ্রিস্ট উৎসব পালিত হল রবি ঠাকুরের বিশ্ব ভারতী প্রাঙ্গণে

বিপুল জনসংখ্যার মধ্যে সঠিক পরিমাণে আয়কর জমা দেন মাত্র ২কোটি ভারতীয়৷

নতুন বছরে পুরনো সিস্টেমে আর চালানো যাবে না হোয়াটসঅ্যাপ

আয়ুর্বেদ অনুযায়ী কীভাবে জল খেলে শরীরকে সুস্থ রাখা যায়?

Loading...

Comments

comments