TOP সোশ্যাল

প্রয়োজনে নাতি বিয়ে করবে ঠাকুমাকে‚ কিন্তু সমাজে থাকবেন না একজনও বিধবা! এখানে এমনটাই নিয়ম

Loading...

সেরকম হলে‚ পরিস্থিতি দাবি করলে‚ দরকারে হবে নাতি-ঠাকুমা বিয়ে | কিন্তু সমাজে কেউ বিধবা থাকবেন না | এরকমই অদ্ভুত নিয়ম প্রচলিত মধ্যপ্রদেশের গোন্ড সম্প্রদায়ের মধ্যে | এই জনজাতির বাস মূলত মধ্যপ্রদেশের মান্ডলা জেলায় | তাঁদের প্রচলিত রীতি হল‚ একজন স্বামীহীনা হলে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে আর একজন যে অবিবাহিত পুরুষ আছে সে তাঁকে বিয়ে করবে | যদি দেখা যায়‚ নাতি ছাড়া কোনও পুরুষ অবিবাহিত নেই‚ তাহলে নাতির সঙ্গেই হবে ঠাকুমার বিয়ে |

যেমন ধরা যাক পাতিরাম ওয়াড়খেড়ের কথা | তার যখন ৬ বছর বয়স‚ মারা যান ঠাকুরদা | এদিকে বাড়িতে আর কোনও অবিবাহিত পুরুষ নেই | তখন ৬ বছরের পাতিরামের সঙ্গে বিয়ে হল বৃদ্ধা ঠাকুমার | বলাই বাহুল্য এখানে শারীরিক সম্পর্কের অবকাশ থাকে না | কিন্তু ঠাকুমাকে বিয়ে করে নাতি হয়ে যায় পরিবারের কর্তা | এই বিয়েকে বলা হয় ‘ নাতি পাতো‘ | পাতো হল এক বিশেষ ডিজাইনের রুপোর বালা | সেই বালা ঠাকুমাকে পরিয়ে দেয় নাতি | ব্যস ঠাকুমা হয়ে গেল তার স্ত্রী |

যৌবনে পৌঁছে পাতিরাম ফের বিয়ে করেছেন | গোন্ড সমাজ এই বিধানও দিয়েছে | যদি কোনও ছেলেকে অল্প বয়সে বিয়ে করতে হয়‚ তবে যৌবনে পৌঁছে সে আবার বিয়ে করতে পারবে | তবে যতদিন প্রথম বৌ থাকবে‚ দ্বিতীয় বৌ সংসারে থাকবে সতীন হিসেবে | যেমন ছিল পাতিরামের দ্বিতীয় বৌ | নিজের দিদিশাশুড়িকে সতীন করে |

নাতি-ঠাকুমার বিয়েতে দৈহিক সম্পর্ক না থাকলেও তা গৌণ নয় দেওর-বৌদির বিয়েতে | যাকে বলে ‘দেবর পাতো‘ | যখন দাদার মৃত্যুতে বৌদির হাতে রুপোর বালা বা পাতো পরিয়ে দেয় দেওর | যেমন দিয়েছিলেন সম্পত কুরওয়াড়ি | নিজের চেয়ে ১০ বছরের বড় বৌদির হাতে পরিয়ে দিয়েছিলেন ওই বালা | যতক্ষণ না তিনি সম্মত হচ্ছিলেন ততক্ষণ গ্রামের প্রধানরা যোগ দেননি সম্পতের দাদার পারোলৌকিক ক্রিয়া কর্মে |

কিন্তু যদি পরিবারে একান্তই না থাকে অবিবাহিত পুরুষ ? অথবা যদি রাজি না হন বিধবা নিজে ?তাহলেও আছে বিধান | তখন গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে ওই মহিলাকে দেওয়া হয় রুপোর বালা | হলেন তিনি ‘পঞ্চ পাতো‘ | তবে থাকতে পারবেন একা‚ নিজের মতো‚ অথচ সধবা বিবাহিতা নারী হিসেবেই |

শুধু নিজেদের গ্রামে সীমাবদ্ধ নয় | গোন্ডরা এ রীতি পালন করেন যখন অন্যত্র প্রতিষ্ঠিত হন‚ তখনও | এমনকী‚ এরকম উদাহরণও আছে‚ ভোপালে ইঞ্জিনিয়ার‚ কিন্তু গোন্ড সমাজের রীতি মেনে পাতো প্রথা গ্রহণ করেছেন | এই তথ্য সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন সেই গোন্ড সমাজের প্রধান‚ যে আদি জনজাতি কোনও মেয়েকে দেখতে চায় না বৈধব্যের বেশে | নিজেদের অভিধানে রাখতে চায় না স্বামীহীনা কথাটি |

সূত্র ঃ বাংলা লাইভ

আরও পড়ুন

মেয়েরা পিরিয়ডস্-এর সময় এই ৬টি বিষয়ে সতর্ক থাকুন

জানেন যৌন সুখ বাড়াতে কীভাবে কাজ করে ভায়াগ্রা?

কোটিপতি ব্যবসায়ী যখন ভিখারী, প্রায় অলৌকিকভাবে ফিরলেন পরিবারের কাছে! পড়ুন সেই কাহিনী

শীতকালে প্রতিদিন গায়ে রোদ লাগানো উচিত কেন জানা আছে কি আপনার?

Loading...

Comments

comments