TOP বিনোদন

‘মণিবন্ধন’, ‘বার্হিমুখম’, ‘দ্বোয়াজা’! ‘বাহুবলী’র এই তিন তীর ছোড়ার কৌশল জানত প্রাচীন ভারতও!

Loading...

‘মণিবন্ধন, বার্হিমুখম, দ্বোয়াজা।’ দেবসেনাকে একসঙ্গে তিনটে তীর তিনটে ভিন্ন নিশানায় ছোড়ার প্রশিক্ষণ দিতে এই তিনটে শব্দই ব্যবহার করেছিলেন অমরেন্দ্র বাহুবলী। বাহুবলী-২ এ একসঙ্গে তিনটে তীর ছোড়ার এই কৌশল অবাক করেছিল সবাইকে? সত্যিই কি একটা ধনুক থেকে একসঙ্গে তিনটে তীর ছোড়া যায়? নাকি এই কৌশল শুধুই সিনেমার স্বার্থে পরিচালক রাজামৌলির মস্তিষ্কপ্রসূত? এই প্রশ্ন আলোচিত হয় সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে।

তামিলনাড়ুর কৃষ্ণগিরি জেলায় আর্কিওলজিস্টদের সাম্প্রতিক আবিষ্কারে উত্তর মিলল এই প্রশ্নের। কৃষ্ণগিরির থাল্লির কাছে জিহুর গ্রামে প্রাচীন মুর্তি খোদাই করা তিনটে পাথরের খোঁজ পেয়েছেন আর্কিওলজি বিভাগ। এই তিনটে পাথর ও তার গায়ের খোদাই করা ছবি কয়েকশো বছরের পুরনো বলে জানিয়েছেন আর্কিওলজিস্টরা। মজার বিষয় হল এই পাথরগুলিতে তিন যোদ্ধার ছবি খোদাই করা আছে। এর মধ্যে দুই যোদ্ধার এক হাতে ধনুক এবং অন্য হাতে তিনটে করে তীর ধরা। ঠিক যেন একটা ধনুক দিয়ে তিনটে তীর একসঙ্গে ছুড়তে যাচ্ছে ওই দুই যোদ্ধা। তৃতীয় পাথরে খোদাই করা যোদ্ধার হাতে খোলা তরোয়াল।

অর্থাৎ, প্রাচীন ভারতে যে একসঙ্গে তিনটে তীর ছোঁড়ার কৌশল প্রচলিত ছিল, সেই তত্ত্বে শিলমোহর দিচ্ছেন আর্কিওলজিস্টরা। কৃষ্ণগিরি ডিস্ট্রিক্ট হিস্টোরি সার্চ অর্গানাইজেশনের প্রেসিডেন্ট আরম এ কৃষ্ণন জানিয়েছেন যে পাথরগুলি ত্রয়োদশ অথবা চতুর্দশ শতকের হতে পারে। কর্ণাটক সীমান্ত ঘেঁসা জিহুর গ্রাম ও তার আশেপাশের এলাকায় সেই সময় বাস ছিল কাঙরা প্রজাতির। এই পাথরগুলিতে অত্যন্ত সাহসী ও যুদ্ধবীর ওই প্রজাতির মানুষদেরই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

গতকালের সেরা খবরগুলো:

Loading...

Comments

comments