TOP নিউজ

মাদক পাচারকারীদের নজরে শহরের ‘রুফটপ পার্টি’, কড়া নজরদারি পুলিশের

Loading...

বর্ষবরণে ছাদের উপর মদিরা নিয়ে আনন্দে মেতে ওঠা। তার সঙ্গে নাচ, গান। এমনকী, বাদ যায় না ডিজে-ও। কিন্তু গোপনে ছাদের পার্টিতেই যে পৌঁছে যেতে পারে মাদক! অচিরেই ছাদের পার্টি পরিণত হতে পারে ‘রেভ পার্টি’তে। তাই মাদক রুখতে বর্ষবরণের আগে থেকেই পুলিশের নজর শহরের ‘রুফটপ পার্টি’গুলির দিকে।

গত কয়েক বছর ধরে কলকাতায় বেড়ে চলেছে ‘রুফটপ পার্টি’। অনেকেই চাইছেন বদ্ধ ঘরের ভিতর বর্ষবরণ না করে ছাদে করতে। তাই এই মাসের প্রথম দিক থেকেই ‘রুফটপ পার্টি’র জন্য লালবাজারে কিছু আবেদনও জমা পড়ে। যদিও পুলিশের মতে, খুব বড় আকারের না করলে অনেকেই রুফটপ পার্টির ক্ষেত্রে কোনও অনুমতি নেন না। বর্ষবরণের রাতটিতে অনেকেই নিজেদের বাড়ি বা আবাসনের ছাদে ‘প্রাইভেট পার্টি’র আয়োজন করেন। যাঁরা পুলিশের কাছ থেকে অনুমতি চেয়েছেন, তাঁদের পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছে যে, কড়া নিয়ম মানতে হবে। ছাদের উপর বাজানো হতে পারে সাউন্ডবক্স। ডিজে-র সঙ্গেও চলতে পারে নাচ। কিন্তু রাত দশটার পর একেবারেই নয়। আরও বেশি রাতে হাতে মদিরার গ্লাস নিয়ে নতুন বছরকে আহ্বান জানানো যাবে। কিন্তু সাউন্ড বক্স বাজিয়ে নয়। ফ্ল্যাট বা বাড়ির ভিতর গভীর রাতে সাউন্ড বক্স বাজানো যেতে পারে। কিন্তু কেউ যদি আপত্তি জানান, তাহলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়াও বর্ষবরণে যাতে ছাদে বেআইনি শব্দবাজি না ফাটানো হয়, সেই বিষয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবার ছাদের উপর মদ্যপান করার ফলে যাতে অন্য ধরনের কোনও বিপদ না হয়, সেই বিষয়েও পুলিশ সতর্ক করছে বাসিন্দাদের।

এদিকে, গোয়েন্দা পুলিশের মতে, ‘রুফটপ পার্টি’তে কোকেন, এক্সট্যাসি, এলএসডি, ইয়াবা বা হাসিসের মতো মাদক পাচারকারীরা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এখনও শহরে মাদক পাচারকারীদের বহু এজেন্ট রয়েছে, যারা বর্ষবরণের আগে মাদক পাচারের চেষ্টা করছে বিভিন্ন রেভ পার্টিতে। এই পার্টিগুলিতে অনেকেই মাদক গ্রহণ করে। তাদের মধ্যে অনেকেই বিত্তবান। সেই সুযোগ নিতে পারে এজেন্টরা। রুফটপ পার্টিতেও হতে পারে মাদক পাচার। তা রুখতে এখন থেকেই অতিরিক্ত নজরদারি শুরু করেছেন গোয়েন্দারা। এদিকে, শহরের পানশালা ও নাইটক্লাবগুলিতে মাদক ঠেকাতে এবার পুলিশের সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে সতর্ক করছে নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। জানা গিয়েছে, এনসিবি-র কর্তারা বর্ষবরণের শহরের পানশালা ও নাইটক্লাবগুলিকে বিশেষভাবে সতর্ক করছেন। তার জন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকও করতে শুরু করেছেন এনসিবি আধিকারিকরা। কোনওমতেই যাতে পানশালা বা নাইটক্লাবগুলিতে মাদক প্রবেশ করতে না পারে, সেই বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে। মাদক পাচারকারীদের এজেন্টদের উপরও চলছে নজরদারি। অন্যদিকে, বর্ষবরণের উৎসবের সময় ফের শহরে আনসারুল বাংলা টিম বা আল কায়দার জঙ্গিরা সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে খবর এসেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের কাছে। এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশকে সতর্ক করা হয়েছে। সেইমতো পার্ক স্ট্রিট, ভিক্টোরিয়া, চিড়িয়াখানার মতো জায়গাগুলিতে বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

আরও পড়ুন

সঙ্গীর কোন ভুল ক্ষমা করবেন আর কোনটি মেনে নেবেন, জানাচ্ছেন মনোবিদরা

ডিসকাউন্টের নামে দেদার লোক ঠকাচ্ছে, ই-কমার্স সাইটগুলির সব রহস্য ফাঁস

প্যানভেলের ফার্মহাউসে ক্যাটরিনার সঙ্গেই জন্মদিন সেলিব্রেট দাবাং খানের

কলকাতা-দিল্লি-বেঙ্গালুরু, শহরগুলিতে হামলার ‘নিদান’ দিল “আল কায়দা”

Loading...

Comments

comments