TOP আন্তর্জাতিক

সবথেকে আধুনিক গভীর সমুদ্রে বন্দর বানাচ্ছে বাংলাদেশ

Loading...

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের আওতায় নির্মিত বন্দরটিই পরবর্তীতে গভীর সমুদ্র বন্দরে রূপান্তরিত করা হবে। মাতারবাড়িতে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে এসে এমনটাই তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

মাতারবাড়িতে ১২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফার্য়াড পাওয়ার প্রজেক্টের অগ্রগতি বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, “এখানে একটা ডিপ সি পোর্ট তৈরি হচ্ছে ড্রেজিং করে। ১৭ মিটার ড্রাফট এখানে।

একই সঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এখানে ১২০০ মেগাওয়াট এর কোল (কয়লা) পাওয়ার প্ল্যান্ট হচ্ছে, কোল টার্মিনাল নির্মিত হচ্ছে। কেবল তাই না ভবিষ্যতে একটা এলএনজি টার্মিনাল করব ল্যান্ড বেস (ভূমিতে)।” মাতারবাড়িতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের অংশ হিসেবে যে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মিত হবে, তা বিশ্বের ‘সর্বাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ডিপ সি পোর্ট’ হবে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। নসরুল হামিদ বলেন, “এটা হবে এনার্জি-পাওয়ার ডিপ সি পোর্ট। যেটা শুরুতে পাওয়ার, এনার্জি ও কোলের জন্য ব্যবহার করব। পরবর্তীকালে এটার এক্সটেনশন একটা গভীর সমুদ্র বন্দর হবে মাল্টিপারপাস ইউজের জন্য।”

মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর করার লক্ষ্য ধরেই এই প্রকল্পটিতে ৩৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। মাতারবাড়িতে জাপান সরকারের ঋণ সহায়তায় বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ঠিকাদারি সংস্থা জাপানি কনসোর্টিয়াম। প্রকল্পটির দ্বিতীয় প্যাকেজের অংশ হিসেবে ১৪ দশমিক পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ, ২৫০ মিটার চওড়া এবং সাড়ে ১৮ মিটার গভীরতার সমুদ্র চ্যানেল নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন কোল পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের এমডি আবুল কাশেম। এছাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের অংশ হিসেবে কোল লোডিং-আনলোডিং এর জন্য জেটি, কোল স্টোরেজ ইর্য়াড এবং অ্যাশ পন্ড নির্মাণ করা হবে।

মাতারবাড়িতে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির পাশপাপাশি চলতি বছরের এপ্রিল থেকে গভীর সাগরে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শুরু হবে বলে জানান নসরুল হামিদ। এই এলাকা জুড়ে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করারও পরিকল্পনা আছে বলে জানান তিনি।

সুত্র ঃ কলকাতা ২৪*৭

আরও পড়ুন

হার্ট থেকে স্নায়ু, সমস্ত রোগ সারবে ৫০০০ বছরের পুরানো চিকিৎসায়

আজ: মঙ্গলবার 9 জানুয়ারি 2018: রাশিফলে জেনে নিন কেমন যাবে আপনার দিনটি

বাজারে এলো নোকিয়া ৬ এর নিউ মডেল।

নিরপত্তা ব্যবস্থা সুরক্ষিত করতে এবার ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রেল।

Loading...

Comments

comments